কোন এক জায়গায় পড়েছিলাম, “যা্রা শিশু ও ফুলকে ভালোবাসেনা তারা মানুষ হতে পারেনা” তাই রাধাপুর গ্রামের, ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ৫৫ বছরের কলঙ্ক রাজকুমার নাথ, পিতাঃ মৃতঃ রসরাজ নাথ’কে “অমানুষ” বলেই সম্ভুধন করলাম।
বিগত ২১শে জুন ২০১৭ইং, দুপুর আনুমানিক ২টা ৩০মিনিট নাগাদ, ধর্মনগর থানার অন্তর্গত রাধাপুর গ্রামের, ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ৫৫ বছরের কলঙ্ক রাজকুমার নাথ, পিতাঃ মৃতঃ রসরাজ নাথ পার্শবর্তী হাফলং গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা জনৈক ব্যাক্তির বাড়িতে কোন এক বিশেষ কাজে যান, বাড়িতে গিয়ে জনৈক ব্যাক্তির ১১ বছরের শিশু কন্যাকে একা পেয়ে ধর্ষনের অপচেষ্টা করেন। সেই সময় নাবালিক শিশুকন্যার পিতা বাজার থেকে বাড়ি ফিরে রাজকুমার নাথকে তাঁর নাবালিকা কন্যার সাথে জোরজবরদস্তি করতে দেখে ধমকিয়ে আসেন। অবস্থা বেগতিক দেকে রাজকুমার নাথ নাবালিকার পিতাকে মুখ বন্ধ রাখার জন্য ধমকিয়ে ঘটনা স্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তি সময়ে গ্রামের কিছু অসামাজিক রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের সাহায্য নিয়ে ঘটনাকে ধামা চাপা দেবার চেষ্টা করেন। রাধাপুর ও হাফলং গ্রামে ঘটনার জানাজানি হলে এলাকার সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতায় ২২শে জুন ২০১৭ইং নাবালিকার পিতা পুলিশের দ্বারস্থ হন, ধর্মনগর মহিলা থানার পুলিশ মামলা দায়ের করে প্রধান অভিযুক্ত ৫৫ বছরের রাজকুমার নাথ, পিতাঃ মৃতঃ রসরাজ নাথ’কে গ্রেপ্তার করে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেন। এলাকাবাসী অপরাধীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবিতে এগিয়ে আসেন।
যদিও আমার ব্যক্তিগত অভিমতে ধর্ষনের মত ঘটনা শুধু মাত্র একটি সামাজিক অপরাধ নয়, এটি একটি সামাজিক ব্যাধি, তাই আমি মনে করি সমাজের সকল স্থরের জনগনকে এধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুধ্যে আরও বেশী সচেতনতা অবলম্ভন এবং এধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুধ্যে রুখে দারানোর একান্ত প্রয়োজন।

Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *