গত ২৯শে আগষ্ট ২০১৬, শ্রীপুর গ্রামের দু’জন যুবক পিন্টু দেব ও ভুপেন্দ্র শব্দকর দেওয়ানপাশা গ্রামের রাম মোরদ সোনারের বাড়ীতে ৪০ ফুট গভীর নলকূপ (কোয়া) পরিষ্কার করতে গিয়ে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে ঘণ্টার পর ঘন্টা প্রান রক্ষার করুন আর্তনাদ করার পরও অপারদর্শী প্রশাসনের নিসক্রিয় ভূমিকার দরুন অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। (২৯শে আগষ্টের ঘটনাটি কি শুধুই একটি দুর্ঘটনা?)

উক্ত ঘটনায় পিড়িত পরিবারকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সাহায্য প্রদানের দাবি নিয়ে শ্রীপুর ও দেওয়ানপাশা গ্রামের জনগণ প্রতিবাদে সোচ্চার হন এবং উত্তর ত্রিপুরা জেলা প্রশাসনের নিকট পিড়িতের পরিবারকে তিন লক্ষ টাকা করে আর্থিক ক্ষতি পুরন প্রদানের দাবি করেন। শ্রীপুর ও দেওয়ানপাশা গ্রামবাসীর সুদীর্ঘ সংগ্রামের ফল স্বরুপ বিগত ১৫ই মে ২০১৭ইং শ্রীঃ প্রদিপ আচার্য, মাননীয় মহকুমা শাসক, ধর্মনগর মহকুমা, পিড়িতের পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকার চেক তুলেদেন।
পিড়িতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য প্রদানের জন্য উত্তর ত্রিপুরা জেলা প্রশাসন ও ত্রিপুরা রাজ্য প্রশাসনকে যথাযোগ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। যাদের নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টার ফলে পিড়িতের পরিবার যথা সময়ে আর্থিক সাহায্য পেয়েছেন তাঁদের মধ্যে যার ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয় তিনি হলেন শ্রীঃ রাজশেখর ভট্টাচার্য, উনার প্রতি শ্রীপুর ও দেওয়ানপাশা গ্রামের সকল জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার ব্যক্তিগত তরফ থেকেও অসংখ্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। তৎসঙ্গে ধন্যবাদ জানাই শ্রীপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিদের একটি মহতি অনুষ্টানের মাধ্যমে পিড়িতের পরিবারের হাতে চেক তুলে দেবার জন্য, ধন্যবাদ জানাই দেওয়ানপাশা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে যথা সময়ে মৃতের প্রমানপত্র (ডেথ সার্টিফিকেট) দেওয়ার জন্য এবং সময়ে সময়ে মহকুমা প্রশাসনের সাথে যোগা যোগ রেখে পিড়িতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য পেতে সাহায্য করার জন্য।

Spread the love