This slideshow requires JavaScript.

As on 21st May 2018 around 7.30 AM I have received a call from Dharmanagar District Hospital, reported that a rape victim was admitted to hospital and they need legal assistance.
As per statement of the victim, since long the victim denied the unethical proposal of one namely Imran Hussain and forcing her to get married to him, while he is already married and have children. Due to her refusal, as on 19.05.2018 around 1.30PM, she was tactfully abducted by one namely Imran Hussain and his brothers-in-law from old motor stand area of Dharmanagar. She was abducted to Kumarghat and she was badly tortured, physically assaulted and raped by the main accused Imran Hussain and in the same day evening thrown her at Pechartal Police Station area, locals rescued her and admitted to Pechartal Hospital and inform the Pechartal Police, later on, Pechartal Police contacted with her family and then she was shifted to Dharmanagar District Hospital. Next day 20th May 2018 on the morning the victim family approached Dharmanagar Women PS and orally reported the incident to Women PS, but police didn’t act accordingly.

Around 9 AM I reached Dharmanagar District Hospital and talk to the victim family, FIR written and submitted to Dharmanagar Women PS and requested to do the Medical examination as early as possible and but police has no intention to act accordingly.  Next day I have met with Sub-Divisional Police Officer, Dharmanagar and discussed the case related matter, later on 23.05.2018 Dharmanagar Women PS did the Medical Examination of the victim.


দীর্ঘদিন থেকে অভিযুক্ত দ্বারা দেওয়া কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিগত ১৯শে মে ২০১৮ইং দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিট নাগাদ চক্রান্ত করে যুবতিকে তুলে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষন করে দুস্কৃতিকারিরা মেয়েটিকে পেচারতল থানার আশেপাশের এলাকায় অবচেতন অবস্থায় ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী মেয়েটিকে পেচারতল প্রাথমিক হাসপাতালে ভর্তি করে থানায় খবর দেন।  জ্ঞান ফিরলে পেচারতল থানার পুলিস পিড়ীতার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেন। রাত আনুমানিক ১০টা নাগাদ পীড়িতার পরিবার মেয়েকে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করান এবং পরেরদিন ২০শে মে ২০১৮ইং সকালবেলা ধর্মনগর মহিলা থানায় খবর দেন, মহিলা থানার আধিকারিকরা তেমন ভাবে ঘটনার গুরুত্ব দেন নি এবং এমনকি FIR ও নথিভুক্ত করেন নি। আজ সকালে আমি ঘটনার খবর পেয়ে একজন মহিলা PLV সহ ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে যাই এবং ধর্মনগর মহিলা থানায় FIR নথিভুক্ত করাই এবং অতিসত্বর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য  অনুরোধ জানাই। পিড়ীতার পরিবার মহিলা থানার ভুমিকায় সন্তুষ্ট নন। এখন অবদি মেয়ের Medical Examination করানো হয়নি।
দীর্ঘদিন থেকে অভিযুক্ত দ্বারা দেওয়া কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় বিগত ১৯শে মে ২০১৮ইং দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিট নাগাদ চক্রান্ত করে যুবতিকে তুলে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষন করে দুস্কৃতিকারিরা মেয়েটিকে পেচারতল থানার আশেপাশের এলাকায় অবচেতন অবস্থায় ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী মেয়েটিকে পেচারতল প্রাথমিক হাসপাতালে ভর্তি করে থানায় খবর দেন।  জ্ঞান ফিরলে পেচারতল থানার পুলিস পিড়ীতার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেন। রাত আনুমানিক ১০টা নাগাদ পীড়িতার পরিবার মেয়েকে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করান এবং পরেরদিন ২০শে মে ২০১৮ইং সকালবেলা ধর্মনগর মহিলা থানায় খবর দেন, মহিলা থানার আধিকারিকরা তেমন ভাবে ঘটনার গুরুত্ব দেন নি এবং এমনকি FIR ও নথিভুক্ত করেন নি। আজ সকালে ঘটনার খবর পেয়ে শ্রী গোপীকা কান্ত দত্ত, আইন সেবক, উত্তর জেলা আইনসেবা কতৃপক্ষ, সাথে সাথে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে যান এবং ধর্মনগর মহিলা থানায় FIR নথিভুক্ত করান এবং অতিসত্বর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য  অনুরোধ জানান। পিড়ীতার পরিবার মহিলা থানার ভুমিকায় সন্তুষ্ট নন। এখন অবদি মেয়ের Medical Examination করানো হয়নি।

Spread the love