বিগত চার মাস আগে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের পর পর রাজ্য জুড়ে গ্রাম পঞ্চায়েত গুলিতে Social Audit শুরু হয় এবং সেই মুতাবেক যুবরাজনগর আর ডি ব্লকের অন্তরগত ১৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ৩ ভিলেজ কাউন্সিল এ Social Audit করা হয়। তথ্য জানার অধিকার আইনে মাধ্যমে সেই Social Audit এবং বেশ কিছু চাঞ্চল্য কর তথ্য সামনে উঠে এসেছে।

১। বিগত পনের বছরে গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ভিলেজ কাউন্সিল গুলিতে ব্যাপক দুর্নিতি হয়েছে।
২। অপ্রত্যাশিত ভাবেই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপ প্রধান, পঞ্চায়েত সচিব, গ্রামীণ রোজগার সেবক সহ পঞ্চায়েতের নির্বাচিত সদস্যের সম্পত্তির পরিমাণ দ্বিগুণ থেকে তিনগুন বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ৬০ থেকে ১০০ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
৩। দুর্নিতি গ্রস্ত প্রধান, উপপ্রধান এবং পঞ্চায়েত সদস্যের একপ্রকার জোর করে পদত্যাগ করানো হয়। এবং পঞ্চায়েত সচিব ও গ্রামীণ রোজগার সেবকদের রাতারাতি বদলি করা হয়।

এখন প্রশ্ন হলঃ
১। যে দুর্নীতির ঢোল বাজিয়ে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে পালা বদল ঘটল সেই দুর্নীতি গ্রস্তদের উপর কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছেনা কেন?
২। দীর্ঘ পচিশ বছর যারা জনগনের অর্থ লুটেপুটে খেয়েছেন তাদের কাছ থেকে সেই অর্থ আদায়ের কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছেনা কেন।
৩। কিসের স্বার্থে বিশাল আর্থিক কেলেঙ্কারি ধামাচাপা দেবার চেষ্টা চলছে।

একজন অতি সাধারন নাগরিক হিসাবে আমি যুবরাজনগর আর ডি ব্লকের অন্তরগত ১৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ভিলেজ কাউন্সিল গুলির যে তথ্য আমার হাতে আছে তার ভিত্তিতে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পঞ্চায়েত দপ্তর সহ অন্যান্য দপ্তরের নিকট তথ্য চাওয়া হয়েছে।

Spread the love